Thursday, 31 March 2022

২০বছরে যখন কেউ পা দেয় তখন পরিবারের বোঝা হয়ে যায় সে।

মানুষের জিবন এমন একটা জিবন ২০বছর এলেই পরিবারের বোঝা হয়ে যায় সে।।যদি বেকার বসে থাকে তাহলে কথা শুনে মাথা হেলে থাকতে হবে। যদি সে জব পেয়ে যায় তাহলে সে সোনার ছেলে। যদিও সে জবটা না করতে পারে বাসায় চলে আসে তাহলে পরিবারের সবার কথা শুনতে হবে। এজন্য গৃহপালিত পশু না হয়ে সিংহের মতো বাচতে শিখ।

নিজের কষ্ট নিজে ছারা কেউ বুঝে না।

যার জিবনের কষ্ট সে বুঝে যায় জিবন কতো কঠিন তবে মানুষের খারাপের সাথে বেশি দিন চলতে হয় না। শুধু কেবল মনে রাখতে হবে খারাপ সময়ের পরেই ভালো সময় পাইবা। নিজের কথা মতো চলবা পরিবার তোমাকে দেখবে না। এটাই নিয়ম।

হয়তো আরো খুব খরাপ সময় আসতে পারতো।

জিবনে সবার খারাপ সময় আসবেই কারণ খারাপ সময় না এলে ভালো সময়ের কদর করতে পারবে না। কম বেশি সবাই জিবনে একাই লড়াই করতে হবে সেটা আরো খুব সাহসের সাথে। খারাপ এর সময়ের পরেই কিন্তু খুব ভালো সময়

Wednesday, 30 March 2022

শুধু নিদিষ্ট। লক্ষ্য আর ধৈর্য নিয়ে আগাতে হবে

সব কাজেরই একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে হতে পারে সে সময়টা কম কিংবা বেশী তোমার লক্ষ্য যদি অটুট থাকে এবং ইনশাআল্লাহ জয়ী তুমি হবেই। সুধু সৎ এবং নির্দিষ্ট সময়ের অপেক্ষা আর এসময়ে তোমার তীরের বেগে চলতে হবে। মানুষের কিছু কিছু সময় কাজে লাগাতে হয়। যখন সময় আসবে মনে মনে সময় পরিবর্তন শিল সময় সবসময় এক থাকে না।

ইনশাআল্লাহ তুমিই জয়ি হবে।

শুধু মনের লক্ষ ফেকাস ঠিক রেখে কাজ করো ইনশাআল্লাহ দেখবে তুমিই জয়ি হবে।

কষ্টের জিনিসের ফলটা খুব মধুর হয়।

জিবনে অনেক কষ্ট পাওয়ার দরকার তো আছেই।তবে মানুষ যদি নিজে কষ্ট আপন করে নেই তখন কিছু করার নেই। দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্য কতো কি করে সুধু পেটের দায়ে।

খুব বেশি খুশি থাকলে মৌন খুলে হাসতেও ভয় লাগে।

জানিনা দুঃখ কখন জনি চলে এলো। এজন্য ভলো থাকলে খুব হাসির দরকার নেই। কারণ কষ্ট এলে তুমি সইতে পারবা না।শুধু মনে মনে ধৈর্য ধরে রাখো। এটাই দুনিয়ার নিয়ম।

Tuesday, 29 March 2022

কষ্টকে আপন করে নাও।

কষ্টকে আপন করে নাও দেখবে সুখই তোমার কাছে এসে ধরা দিবে। এটাই নিয়ম কারণ কষ্টের পরে খুব কাছেই সুখ থাকে এটাই নিয়ম কষ্টের। জিবনে চলতে গেলে কষ্ট তো করতেই হবে এটাই দুনিয়ার নিয়ম। কষ্টের মতো পরস পাথর নাই মনে রেখো কষ্ট না করলে সুখের উপলব্ধি কর যায় না।

ধনি হবার জন্য যা দরকার।

এ দুনিয়াতে বেশিরভার মানুষ ধনি হতে চায় ধনি হতে গেলে নিজের উপর পুরোপুরি বিশ্বাস রাখবে। কারণ এ বিশ্বাস তোমাকে তোমার মূল ঠিকানায় নিয়ে চলে যাবে। জিবনে বাদা আসবেই সেই বাদা পেরিয়ে তোমাকে এদিকে যেতে হবে। মৌনকে শক্ত করতে শিখ,, কারণ খারাপ সময়ে একাই নিজে থাকতে হয়,,বেশিরভাগই কেউ থাকে না আল্লাহ পাক ছাড়া মনে রেখো,,।।

মৌনকে শক্ত করতে শিখ।

মনে রেখ যেটা তোমার দুর্বল জায়গায় সেই জায়গায় তাকে শক্ত করো। যাতে করে তোমায় কেউ ভাংতে না পারে তোমার শএু মিএ তোমায় দেখে যেন অবাক হয়ে যায়। মনে রেখ জিবন সহজ না।।জিবনে চলতে গেলে বাধা আসবেই তাই বলে তুমি ভয় পেয়ে চলে যাবে এটা হতে পারে না বন্ধু। সবসময়ই মনে রেখো কষ্টের পরেই সুখ পাখি নামক জিনিসটা ধরা দেয়।।

নিজের মনের কথা শুনে নাও।

জিবনে চলতে গেলে তোমাকে অনেক বাধা দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে যে জিবনে কষ্ট হচ্ছে না মনে রেখো সফলতার সুযোগ খুব কম। জিবনে অনেক রকম ভাবে ব্যবহার করা যায়। তবে ভালো দিকটা থাকা চায় তবেই জিবনে অনেক জটিল জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারবে। বিশেষ করে ১৮থেকে২৫ছেলে মেয়ে সকলেই মাথায় দায়িত্বের কাঁধ তুলিয়ে দেওয়া হয়। হতাস হবার কিছু নেই বিশ্বাসেস সাথে কাজে নেমে পরো দেখবে উঠে যাবে তুমি ইনশাআল্লাহ।।

মৌন চাইলেও সব কাজ করা যায় না।

কিছু কিছু কাজ মৌনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে করতে হয়। সবাই জানি পরিশ্রম হলো সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। শান্তির ঘুম তাগ করো যতোখন না সফল তুমি হচ্ছে সে কাজে লাগিয়ে পরো দেখবা সফলতা ধরা দিবে এটাই নিয়ম। কষ্টের পরেই সুখ ধরা দেয়।

Monday, 28 March 2022

হারতে হারতে একদিন জিতে যাবো ইনশা।

জিবন এতো টাও সহজ না এ জিবনে অনেক কষ্ট পেতে হবে এটাই হলেো জিবনের একটি কঠোর পরীক্ষা জীবন এতটা সহজ নয় এই জীবনে তোমাকে হাসাবে কাঁদাবে এটাই জীবনের নিয়ম। কষ্টের পরে যখন সুখে ফিরে আসবে তখন দেখবে এর মতো সুখ জিবনে খুব কম এসেছে। এটাই তো নিয়ম জিবনের তাই না।

হাজার কষ্ট করেও কিছু টাকা সেভ করতে শিখ।

জিবনে কষ হলেও টাকা সেভ করতে শিখুন কারণ সে টাকা জমিয়ে ইনভেস্ট করতে হবে সেটা বাবসা দোকান পাঠ ইত্যাদি তে। মনে রাখতে হবে টাকা দিয়ে টাকা ধরতে হবে।

Sunday, 27 March 2022

সবাই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না।

এ যুগে এখনো অনেক মানুষ গুলো আছে তারা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না। আদিম যুগের মতো তারা চলতে ভালোবাসে। কি করবে এটা তো সময়ের নিয়ম কানুন। মানুষ যে ভাবে যেমন চলাফেরা করতে ভালোবাসে তেমন ভাবে তাদের চলাফেরা কর উচিত। এতে তার মনের স্বাধীনতা অর্জন হয়। জিবন দিয়ে অনেক কিছু করা যায়।

লক্ষ গুলো ঠিক রেখে কাজে নেমে পরো।

জিবনে চলতে গেলে বাধা আসবেই তাই বলে তার মোকাবিলা না করে ভয়ে পালিয়ে যাবে তুমি এটা হতে পারে না। শুধু রবের পক্ষ থেকে দোয়া চাও সফল তুমিই হবে দেখে নিও। সব কাজে কষ্ট হলেও পরে তুমার কাছেই সুখ ধরা দিবে। নিদিষ্ট পরিকল্পনা আর ধৈয্য মাথা খুব থান্ডা রেখে কাজে নেমে পরো।

কঠিন কঠিন বিপদে না পরলে আল্লাহ পাকের দয়া উপলব্ধি করা যায় ন।

মানুষ যখন খুব কঠিন বিপদে পড়ে তখন আল্লাহ পাককে অন্তর দিয়ে সরণ করলেই অবশ্যই দয়ার মালিক তার ডাকে সারা দেন। যখন মানুষ ভলো থাকে তখন বুঝতে পারে না। আর তখন যদি মানুষের খারাপের দিক চলে আসে তখন বুঝতে পারে কি ছিল কি হারলাম। আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখো দেখবে তুমি জয়ী হবে।

মনের কথা শুনো।

যখন তুমি একটা আজব বয়সে পা দিবে ১৮থেকে২৫ এর ভিতরে অনেক কিছু হারাবে। এ বয়সে মানষের গোলামি করতে মৌন চায় না শুধু মৌন চায় নিজের মৌনের কথা শুনতে আর এই সুযোগ টাই কাজে লাগাও। দেখবে মৌনটা তোমার অনেক শান্তিতে ভরে গেছে। মানুষের কথা মতো চললে তোমায় গৃহপালিত পশু হয়ে চলতে হবে। আর তুমি যদি নিজের কথা মতো চলো তাহলে সিংহের মতো চলতে পারবে। এখন তুমি ভেবে দেখ। মনে রেখো একবেলা না খেয়ে থাকলে কেউ তোমাকে বলবে না খেয়েছিস। যখন তোমার সাথে ভর্তি থাকবে সবাই তোমার খোজ নিবে।

কি হতে চাও?

তোমার বয়স যদি 20থেকে25হয়ে থাকে তাহলে তুমি অনেক কিছুর ভিতর দিয়ে যাইতে হবে তোমায়।। এ বয়সে বাবা বয়স হতে থাকে। মায়ের হাতের রান্না মধুর মতো হয় না। জিবনে এ বয়সে অনেক ঝরের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। কি করবে এটাই ছেলেদের জিবন।।

জিবন কি।

জিবন হলো এক অচিন সুখ পাখির নাম। এ সুখ পাখি অনেক কষ্টে ধরা দেয় অপর দিকে একটু খানি সুখের জন্য মানুষ কতো কি করে চলছে।এটাই কি মানব জিবন।চলছে জিবন চলতে দাও

কষ্ট না করে টাকা আসবে না।

কষটো এমন একটা জিনিস এর ভাগিদার বেশিরভাগ কেউ হতে চায় না। যখন তুমি কষ্টের ভিতরে পরবে কাছের মানুষ গুলো পাস কেটে সরে যাবে তোমার।। জিবনে একা চলতে শিখতে হয় তবেই তুমি জিবনে অনেক কিছু করতে পারবে এটা হলো এ জিবনের নিয়ম কিছু দিলে কিছু পাবা। তুমি জেমন বাবহর করবে ঠিক তেমনি বাবহার পাবে।

ঘুরাঘুরি

ঈদের ছুটির সঙ্গে আরও একটি ছুটি অনেক ভ্রমণপ্রেমীর কাছেই আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। বর্ষায় যারা বাংলার প্রকৃতিকে উপভোগ করতে চান তাদের জন্য এটাই সর্বোত্তম সুযোগ। এই মৌসুমে দেশের কয়েকটি জায়গায় ভ্রমণের তথ্য নিয়েই এই প্রতিবেদন। বর্ষায় সুন্দরবন তুমুল বৃষ্টি, আবার খাঁখাঁ রোদ। উপরে ঝকঝকে নীলাকাশ। এখানে রোদ, একটু দূরেই ঘন বরষা। বৃষ্টিস্নাত বনের গাছপালা যেন আরও সবুজ রংয়ে মোড়ানো। এই রকম সুন্দরবন দেখতে চাইলে যেতে হবে বর্ষাতেই। বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বিশাল এলাকাজুড়ে আমাদের সুন্দরবন। দুশ’ বছর আগে সুন্দরবনের বিস্তৃতি ছিল প্রায় ১৬ হাজার ৭শ’ বর্গকিলোমিটার। সংকুচিত হতে হতে বর্তমানে এর প্রকৃত আয়তন প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটারে এসে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশ ভারত বিভাগের পর সুন্দরবনের প্রায় দুই-তৃতীয়াশংই পড়েছে বাংলাদেশে। বাকিটা ভারতে। এ হিসেবে সুন্দরবনের বাংলাদেশে অংশের আয়তন প্রায় ৫ হাজার ৮শ’ বর্গকিলোমিটার। ভারতের অংশে প্রায় ৪ হাজার দুশ’ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশ অংশের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার একশ’ বর্গকিলোমিটার স্থলভাগ ও ১ হাজার ৭শ’ বর্গকিলোমিটার জলাভূমি। পূর্ব ও পশ্চিম, দুটি বিভাগের অধীনে চারটি প্রশাসনিক রেঞ্জে ভাগ করা হয়েছে সুন্দরবন। রেঞ্জগুলো হল- চাঁদপাই, শরণখোলা, খুলনা ও সাতক্ষীরা। ১৮৭৫ সালে সুন্দরবনকে প্রথম সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৩২ হাজার ৪শ’ হেক্টর এলাকা বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ৭৯৮ তম স্থান হিসেবে জায়গা করে নেয়। এক হিসেব মতে সুন্দরবনে বর্তমানে প্রায় সাড়ে চারশ’ রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও ত্রিশ হাজারেরও বেশি চিত্রাহরিণের বসবাস। এছাড়া মায়াহরিণ, বন্য শূকর, বানর, গুঁইসাপ, ভোঁদর, শুশুক, লোনাপানির কুমির, কিং কোবরা (শঙ্খচূড়), বেঙ্গল কোবরা (গোখরো), অজগর ইত্যাদি বন্য প্রাণীর দেখা মেলে এই বনে।   রয়েছে প্রায় ৩৩০ প্রজাতির গাছপালা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-- সুন্দরী, কেওড়া, পশুর, ধুন্দল, আমুর, গরান, গর্জন, খোলশি, বলা, হেতাল, গোলপাতা, টাইগার ফার্ন, হরগোজা ইত্যাদি। স্থানীয় ও পরিযায়ী মিলে সুন্দরবনে প্রায় ২৭০ প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। এর মধ্যে বড়সাদা বক, শঙ্খচিল, ভুবনচিল, সিন্ধুঈগল, বাজ, মাস্ক ফিনফুট (প্যারাপাখি), বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙা, ফিঙে, সুঁইচোরা, কাঠঠোকরা ও বনমোরগ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া প্রায় চারশ রকম মাছ পাওয়া যায় সুন্দরবন এলাকায়। সুন্দরবনের করমজল, হিরণপয়েন্ট, কটকা, কচিখালী, দুবলার চর, পক্ষীর চর, ডিমের চর, তিনকোনা, হারবাড়িয়া, কোকিলমোনি প্রভৃতি জায়গাগুলোতে পর্যটকদের আনাগোনা বেশি। সুন্দরবন ভ্রমণ একেবারেই বিচ্ছিন্ন একটি ভ্রমণকেন্দ্র এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল। ভেতরে থাকার জন্য নেই কোনো হোটেল-মোটেল। তাছাড়া এখানে ভ্রমণের জন্য কিছু নিয়মকানুনও আছে। তাই ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই বনে ভ্রমণ কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। তাই সুন্দরবন ভ্রমণে অভিজ্ঞ কোনো ভ্রমণসংস্থার সহায়তা নিতে পারেন। ঈদের মৌসুমে ভ্রমণসংস্থা বেঙ্গল ট্যুরস দুটি ভ্রমণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক রফিকুল ইসলাম নাসিম জানান,  “১২ থেকে ১৪ অগাস্ট এবং ১৫ থেকে ১৭ অগাস্ট দুটি ভ্রমণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা, ৩ দিন ২ রাতের ভ্রমণমূল্য ১১ হাজার টাকা। এর মধ্যে আছে নিজস্ব জাহাজে সুন্দরবনে ভ্রমণ, থাকা-খাওয়া, বনে প্রবেশ মূল্য, বনপ্রহরী, গাইড ইত্যাদি। কেউ চাইলে ঢাকা-খুলনা যাতায়াতের ব্যবস্থাও কর্তৃপক্ষ করে দেবে। যোগাযোগ: ০১৭৭৫১০৫৩৫১। বর্ণিল সৈকত টেকনাফ বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর সমুদ্র সৈকত টেকনাফ। দেশের অন্যান্য সৈকতগুলো থেকে একেবারেই আলাদা। এখানকার জেলে নৌকাগুলোও অন্যরকম। এত রংবাহারি জেলে নৌকা বাংলাদেশের আর কোনো সমুদ্রসৈকতে দেখা যায় না। লাল, নীল, বেগুনি ইত্যাদি বাহারি রংয়ের পতাকা দিয়ে জেলেরা নৌকাগুলো সাজিয়ে থাকেন। সেই সঙ্গে থাকে রংতুলির বর্ণিল আঁচড়। সৈকতে কিছুদূর পরপরই আছে ঘন ঝাউবন। টেকনাফ শহর ছাড়িয়ে দক্ষিণে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে এই সৈকত। নির্জনতার সঙ্গে বর্ষা যেন রূপের মাধুর্য বাড়ায়। এই সময় পর্যটকের আনাগোনাও কম থাকে। আছে সৈকত লাগোয়া জেলেদের বেশ কিছু বসতি। বর্ষায় পূর্ণিমার জোয়ারে বড় বড় সমুদ্রের ঢেউ টেকনাফ সৈকতে একেবারে তীরে আছড়ে পড়ে। টেকনাফ সমুদ্র সৈকতের মূল প্রবেশ পথ থেকে হাতের বাঁ দিকে চলে গেলে শাহ পরীর দ্বীপের কাছাকাছি চলে যাওয়া যায়। এছাড়া হাতের ডান দিকে চলে গেলে যাওয়া যাবে হাজামপাড়া, শিলখালী কিংবা শামলাপুর সৈকতের দিকে। উত্তর দিকে সৈকতের পাশ দিয়ে আকাশ ছুঁয়েছে তৈঙ্গা পাহাড়। সাগর আর পাহাড়ের এত সুন্দর বন্ধুত্ব কেবল এখানেই দেখা সম্ভব।   সতর্কতা :  টেকনাফের কোনো সমুদ্র সৈকতেই নেই লাইফ গার্ডের ব্যবস্থা। তাই জোয়ার-ভাটার সাংকেতিক কোনো চিহ্নও থাকে না।  সমুদ্র স্নানে নামলে আগে থেকেই নিজ দ্বায়িত্বে জোয়ার-ভাটা সম্পর্কে জেনে নিন। কোনো অবস্থাতেই ভাটার সময় বা একাকী সমুদ্রে নামবেন না। জোয়ার-ভাটার সময় জানার জন্য স্থানীয় জেলেদের সহায়তা নিতে পারেন।   যেভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে সরাসরি টেকনাফ যায় সেন্টমার্টিন সার্ভিস। এছাড়া সিলভার লাইন পরিবহনের এসি বাস যায়। ভাড়া ১ হাজার ২শ’ থেকে ১ হাজার ৩শ’ ৫০ টাকা। এছাড়াও ঢাকা থেকে শ্যামলি, এস আলম, সৌদিয়া, হানিফ ইত্যাদি পরিবহনের নন এসি বাস যায়। ঢাকার ফকিরাপুল, সায়দাবাদ থেকে সাধারণত এ পথের বাসগুলো ছাড়ে। ভাড়া ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। থাকবেন যেথায় : সৈকত লাগোয়া রিসোর্টে থাকা যায়। এখানে আছে বেশ সাজানো গোছানো ‘সেন্ট্রাল রিসোর্ট লিমিটেড’।  রিসোর্টের কক্ষ ভাড়া ১ হাজার ৫শ’ থেকে ৪ হাজার ৩শ’ টাকা। যোগাযোগ : ০১৭১১৫৩৪২০৫। ছুটিতে হাওর ঈদের আনন্দ নিয়ে বর্ষা উপভোগ করতে যেতে পারেন নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে। বর্ষা মৌসুমে এসব হাওরে যেন প্রাণ ফিরে আসে। শীতে শুকিয়ে যাওয়া হাওরগুলো বৃষ্টির পানিতে কানায় কানায় ভরে যায়। কোথাও কোথাও এ সময়ে সমুদ্রের মতো কুল-কিনারহীন মনে হয়। নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুড়ি ও কলমাকান্দা উপজেলা জুড়ে কমবেশি ৫৬টি হাওর ও বিল আছে। শুকনো মৌসুমে হাওরে চাষাবাদ হলেও বর্ষায় পানিতে পরিপূর্ণ থাকে। তখন এসব এলাকার একমাত্র বাহন হয় নৌকা। মোহনগঞ্জ শহর থেকে রিকশায় বাবলিকোনা গিয়ে এখানকার ডিঙ্গাপোতা হাওরে প্রবেশ করা যায়। ইঞ্জিন নৌকায় হাওরের বিভিন্ন গ্রামে যেতে পারেন। বর্ষাকালে হাওরের গ্রামগুলি একেকটি ছোট দ্বীপের মতো মনে হয়। নেত্রকোনা থেকে ইঞ্জিনবোটে ৩ ঘন্টায় যাওয়া যাবে হাওরের মাঝখানে ছোট্ট গাগলাজোড় বাজারে। সারাদিন এ বাজারে মেলে হাওরের নানান মাছ। গাগলাজোড় বাজারের কাছে ছোট্ট গ্রাম জালালপুরে আছে এ অঞ্চলের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব উকিল মুন্সির বসতভিটা। এছাড়াও নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থেকে বর্ষা মৌসুমে লঞ্চে চড়ে যেতে পারেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গায়। বর্ষাকালে এ পথের লঞ্চগুলো হাওরের পথ ধরেই চলাচল করে থাকে।   যেভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জে সম্প্রতি আন্তঃনগর ট্রেন চালু হয়েছে। হাওর এক্সপ্রেস নামে এ ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ১১টা ৫০মিনিটে এবং মোহনগঞ্জ থেকে রাত ৮টা ৩০মিনিটে ছাড়ে। এছাড়া ঢাকার মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সরাসরি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ যায় বিআরটিসি, নেত্র পরিবহন, ইকোনো পরিবহন, রফরফ ইত্যাদি বাস। বিআরটিসির বাস ছাড়ে কমলাপুর থেকে। আর অন্য বাসগুলো ছাড়ে মহাখালী থেকে। ভাড়া ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। থাকার জায়গা : হাওর ভ্রমণে গেলে অবস্থান করতে হবে মোহনগঞ্জ থানা শহরে। এখানে থাকার জন্য সাধারণ মানের দু-একটি হোটেল আছে। যেমন- স্টেশন রোডে হোটেল শাপলা, হোটেল পাঠান ইত্যাদি। তবে ভালোভাবে হাওর উপভোগ করতে চাইলে কয়েকজন মিলে মোহনগঞ্জ থেকে ভালো মানের একটি ইঞ্জিননৌকা ভাড়া করে নিতে পারেন। রাতে নিরাপদ কোনো স্থানে থামিয়ে নৌকাতেই অবস্থান করতে পারেন। ছবি : লেখক আরও পড়ুনসর্বাধিক পঠিত পেট সমতল রাখতে আপেল ১ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিফল স্বাধীনতার চেতনা বেঁচে থাকুক অন্তরে ট্রুফিট অ্যান্ড হিলের গুলশান শাখায় স্পা চালু সৌন্দর্যসেবা শিল্পে ভ্যাটের হার কমানোর দাবি জানালো বিএসওএবি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী প্রোটিনের উৎস আরও » প্রচ্ছদসমগ্র বাংলাদেশবাংলাদেশরাজনীতিবাণিজ্যবিশ্বপুঁজিবাজারচট্টগ্রামঅর্থনীতিপ্রবাসখেলাক্রিকেটপ্রযুক্তিবিজ্ঞানস্বাস্থ্যপরিবেশলাইফস্টাইল(current)গ্লিটজকিডজহ্যালোছবিঘরসাম্প্রতিক খবরছবির গল্পমতামতআর্টস Disclaimer & Privacy Policy | About us | Contact us | Advertisement | Subscription | bdnews24.com Apps Copyright © Bangladesh News 24 Hours Limited All Rights Reserved

মাঝে মাঝে মনে হয়।...

জবটা ছেরেই দিই এতো রকমের পারা কি সযযো করা যায় এই যুগে জব পাওয়া যেমন কষ্টের তেমনি জব করাটাও খুব কষ্টের। মনে রাখতে হবে তবে কিছু খন কষ্টের পরেই সুখ পাখি বলে থাকে।এটাই নিয়ম

kosto..

সবার সবসময় মনে রেখো খুব কষ্টের মাঝেই সুখ পাওয়া যায় আবার অপর দিকে হাসি দুঃখ মানুষের মাঝেই থাকবেই মৌন খরাপের কিছু নাই,,, মনে রেখো এ দুনিয়াতে সফল যারাই হয়েছেন তাদের একমাত্র হাতিয়ার ছিলো কষ্ট।। সফল হতে গেলে কষ্ট করতেই হবে এটাই সত্য।। মনে রেখো কষ্টে মাঝেই সুখ খুঁজে পাওয়া যায়।।খুঁজে নিতে হয়।

Saturday, 26 March 2022

যেভাবে ব্লগারে কাজ করবেন।

ব্লগারে কাজ করা খুবই সোজা। কিছু একটা নিয়ম মাফিক কাজ করলেই বুদ্ধি খাটিয়ে। তাহলে আপনিও প্রতি মাসে 20 থেকে 30 হাজার টাকার মতো পাবেন।তবে কাজে অনেক ধৈর্যের ব্যাপার বিশেষ করে প্রথমদিকে। তিন চার মাস আপনাকে প্রথমে খাটতে হবে তারপরে এই জিনিসটা আপনার আয়ত্তে চলে গেলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। নিজে কাজ করুন অন্যকে কাজ শেখানো। ব্লগারে আপনি যেকোন ধরনের ছোট গল্প কবিতা কিংবা প্রকৃতি মনিয়ে লিখতে পারেন। সেটা হতে পারে আপনার নিজের জীবন কাহিনী।। নিজের জীবনে অনেক কষ্টের অভিজ্ঞতা। সবার কমেন্টে সারা পেলে ইনশাআল্লাহ অবশ্যই আপনাদের বলব কিভাবে কাজ করতে হবে

ব্যবসার মতো পরশপাথর নাই।

ব্যবসার মতো পরশপাথর নাই। যে জিবনে উন্নতি যদি করতে চায় তাহলে ব্যবসা সে জেনো বেছে নেয়, টাকা দিয়ে টাকা ধরতে হবে তাহলেই সে জিবনে কামিয়াবি হাসিল করতে পরবে নিজের স্বাধীনতা থাকে এই পরশ পাথর কাজে এজন্য বড় বিজনেজ মান ব্যবসা কে বেশি প্রদান করছে। টাকা দিয়ে টাকা ধরতে হবে। ইনভেস্ট একটা বড় জিনিস এটার কারণে মানুষ অনেক উন্নতি লাভ করে থাকে❤️❤️

বাবা।।।

বাবা হলো হাজার শুকতারার মধ্যে সবচেয়ে দামি একটা শুকতারা। বাবা হাজার কষ্টের ভিতরে মধ্যে থেকেও পরিবারকে সাথে হেসে খেলে কথা বলার নামটাই হচ্ছে বাবা। অনেক চাপা কষ্ট নিয়ে সবজায়গাতে চলাফেরার নাম টাই হচ্ছে বাবা।। সালুট করি বাবা তোমাকে যতো এলো মেলো পথে চলি না কেন বাবা তুমি অনেক দামি জিনিস। আল্লার কাছে দোয়া করি তুমায় অনেক ভালো রাখুক বাবা। বাবা হলো দুনিয়ার নিয়ম ভুল ঠিক সব কিছুই সমাধান করে দেয় সহযেই

কিছু কষ্ট চিরকাল থাকবে না।

কষ্ট কিছু এমন একটা জিনিস এ কষ্টটা খানিন কনের যা চিরকাল থাকে নাহ। অপর দিকে খানিক খনের কষ্ট খুব তীব্র অবস্থায় থাকে বনধু মাঠে নেমে কষ্টের ভয় করলে চলবে না। তার মোকাবেলা করতে শিখ। দেখবে তুমিই জয়ি হবে।

Friday, 25 March 2022

সর্দি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়।

 


সুস্থ থাকুন

সর্দি-কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়

  
 
48Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button

গ্রীষ্ম, বর্ষা কিংবা শীত যে কোনো মৌসুমেই সর্দি-কাশির সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় মাথাব্যথা, বুকে ব্যথা, বুকে কফ জমে যাওয়া, কাশি, শ্বাসকষ্ট নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। যাদের ঠাণ্ডা অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে এ সময় তারা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন। কেউ কেউ ছোট সমস্যা ভেবে একে উপেক্ষা করেন। এটা কিন্তু ঠিক নয়। কেউ কেউ আবার সমস্যা এড়াতে ওষুধও সেবন করে থাকেন। তবে ঘরোয়া উপায়েও এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। জেনে নিন সর্দি-কাশি দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়-

দুধ ও হলুদ : দুধ যে কোনো বয়সের জন্যই সমান উপকারী। এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। হলুদে অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা সহজেই সংক্রমণ রোধ করে। ফলে সর্দি-কাশির কষ্ট থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব হয়।

আদা চা : সর্দি-কাশি দূর করতে আদা চায়ের জুড়ি মেলা ভার। আদা কুচি করে গরম পানি বা গরম চায়ে দিয়ে পান করুন। এতে সর্দি-কাশির সমস্যা একেবারেই দূর হবে।

লেবু ও মধু : লেবু ও মধুর মিশ্রণটিও আদা চায়ের মতোই অত্যন্ত উপকারী। এক গ্লাস গরম পানিতে দুই চা চামচ মধু ও এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে সর্দি-কাশি দূর হবে।

তুলসী পাতা ও আদা : এক কাপ পানিতে কয়েকটা তুলসী পাতা ও আদা কুচি ফেলে ফোটাতে থাকুন। পানি ফুটে অর্ধেক হয়ে এলে তা নামিয়ে রাখুন। এবার এই পানি দিনে অন্তত দু’বার পান করলে সর্দি-কাশি কমে যাবে।

রসুন : এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা সর্দি-কাশির মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণ রুখতে পারে। চাইলে চার-পাঁচ কোয়া রসুন ঘিয়ে নেড়ে নিয়ে গরম থাকতে থাকতে খেয়ে নিন। ঘিয়ে ভাজা রসুন সুপের সঙ্গে মিশিয়ে খেলেও আরাম পাবেন।


ধনি হবার কিছু টিপস,,

 লোক দেখানো বন্ধ করুন


সামান্য কিছু টাকা হলেই তা দিয়ে বিভিন্ন বিলাসদ্রব্য কেনা অভ্যাস বন্ধ করুন। পর্যাপ্ত টাকা না আসা পর্যন্ত দামি মোবাইল ফোন, ঘড়ি, গাড়ি ইত্যাদির পেছনে এক পয়সাও ব্যয় করা যাবে না। অর্থ ব্যয় করার বদলে তা জমিয়ে নতুন করে অর্থ উপার্জনের কাজে লাগান।
বিনিয়োগ ক্ষেত্র বের করুন
আপনার টাকা জমানোর মূল উদ্দেশ্য হবে তা দিয়ে যুৎসই বিনিয়োগ করা। আপনার যে টাকাটাই জমবে তাই বিনিয়োগ করার পথ খুঁজুন।
বিশ্রাম বাদ দিন
মানুষের মতো টাকা ঘুমায় না। এর নেই সাপ্তাহিক ছুটির দিন কিংবা অন্য কোনো বিশেষ দিবস। সারা বছর একটানা কাজ করে যায় টাকা। আর তাই টাকাকে ধরতে হলে আপনারও বিশ্রামের কথা ভুলে যেতে হবে। শুধু যে বিশ্রামটুকু না করলেই নয়, তাই করতে হবে।
গরিব অবস্থাকে ভয় করুন
অনেক ধনী মানুষই অতীতে গরিব ছিলেন। বিল গেটস বলেন, ‘গরিব অবস্থায় জন্মগ্রহণ করা আপনার ভুল নয়। কিন্তু গরিব অবস্থায় মৃত্যুবরণ করাটা আপনার ভুল।’ গরিব হওয়াকে ভয় পাওয়া দারিদ্র্যের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে বহু ব্যক্তিকে উৎসাহিত করেছে।
বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
 অনেকেই লক্ষ্য নির্ধারণে বিচক্ষণতার পরিচয় দেয় না। এ কারণে তারা লক্ষ্যমাত্রাই অল্প করে ধরে রাখে। ফলে মূল উপার্জন এর চেয়েও কমে যায়। তাই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে বিচক্ষণতার পরিচয় দিন, এক কোটির জায়গায় টার্গেট করুন ১০ কোটি টাকার। এ ক্ষেত্রে পুরো টাকাটা না পেলেও এর কাছাকাছি অন্তত পৌঁছাতে পারবেন।
তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা
সকালে ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যসম্মত। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠলে স্বাস্থ্যবান, জ্ঞানী আর ধনী হওয়া যায়। বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের ভাষায়, আরলি টু বেড অ্যান্ড আরলি টু রাইজ, মেকস অ্যা ম্যান হেলদি, ওয়েলদি অ্যান্ড ওয়াইজ।
বিশ্বে যারা ধনী তারা এই পন্থা অবলম্বন করেন, যা আপনি করেন না। তারা সকাল সকাল ওঠেই কাজে বেরিয়ে পড়েন। অর্থ আয়ের নেশায় খুঁজে পান বেশি সময়। তাই ধনী হতে চাইলে আপনারও দরকার অর্থ আয়ে সকাল সকাল ঘুব থেকে ওঠে কাজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা।
অতিরিক্ত কাজ করছেন-এমন ধারণা ত্যাগ করাআপনি অতিরিক্ত কাজ করছেন এই ধারণা আপনার শত্রু হয়ে ওঠতে পারে। সব কাজ করছেন এবং করতে হবে- এমন ধারণা কাজে গড়িমসি ভাব আনতে পারে। যা আপনার ধনী হওয়ার পথে অন্যতম বাধা। তাই ধনী হতে চাইলে এ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। জীবনের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে সম্মুখ পানে।
শুরু করা
 কোনো কিছু না করার চেয়ে কিছু শুরু করাটা ভালো। তাই দ্রুত ব্যবসায় নেমে পড়তে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সমস্যাও আছে। ছোট কিছু দিয়ে শুরু করলে তার প্রাথমিক ফলও ছোট হবে। তাই বলে ঘাবড়ে গেলে চলবে না। ধৈর্য্য ধরতে হবে। দেখবেন একদিন সাফল্য আসবেই।
মিতব্যয়ী হওয়া
অকারণেই অর্থ অপচয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে। হতে হবে মিতব্যয়ী। আপনি যদি আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করেন, সেটা হবে সম্পদ অর্জনের অন্তরায়। সুতরাং মাসিক খরচ কোথায় কত করলেন সেটা লক্ষ্য করতে হবে। খরচ কমানোর উপায় বের করে বাস্তবসম্মত বাজেট তৈরি করতে হবে।
তাই ক্রেডিট কার্ড বয়ে বেড়ানোর মানসিকতা পরিহার করতে হবে। যেখানে সেখানে অর্থ ব্যয় থেকে থাকতে হবে বিরত।
গরীবের মতো জীবনযাপন করা
আমাদের চারপাশে অনেকেই আছে যারা ধনী কিন্তু তাদের চলাফেরায় সেটা বোঝা যায় না। তারা শুধু টাকা সঞ্চয় করেন। মানুষের সামনে বড়লোকী ভাব দেখান না। এটার উপকারিতা হচ্ছে আপনাকে কম খরচ করাতে শেখাবে।

১ম রোজা।

🤍🌿" আসছে ২০২৩ সালের ২৩ শে মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার 💖💖 প্রথম রোজা শুরু হবে💖💖 আলহামদুলিল্লাহ্..💖💖💖 মহানবী ...