লোক দেখানো বন্ধ করুন
সামান্য কিছু টাকা হলেই তা দিয়ে বিভিন্ন বিলাসদ্রব্য কেনা অভ্যাস বন্ধ করুন। পর্যাপ্ত টাকা না আসা পর্যন্ত দামি মোবাইল ফোন, ঘড়ি, গাড়ি ইত্যাদির পেছনে এক পয়সাও ব্যয় করা যাবে না। অর্থ ব্যয় করার বদলে তা জমিয়ে নতুন করে অর্থ উপার্জনের কাজে লাগান।
বিনিয়োগ ক্ষেত্র বের করুন
আপনার টাকা জমানোর মূল উদ্দেশ্য হবে তা দিয়ে যুৎসই বিনিয়োগ করা। আপনার যে টাকাটাই জমবে তাই বিনিয়োগ করার পথ খুঁজুন।
বিশ্রাম বাদ দিন
মানুষের মতো টাকা ঘুমায় না। এর নেই সাপ্তাহিক ছুটির দিন কিংবা অন্য কোনো বিশেষ দিবস। সারা বছর একটানা কাজ করে যায় টাকা। আর তাই টাকাকে ধরতে হলে আপনারও বিশ্রামের কথা ভুলে যেতে হবে। শুধু যে বিশ্রামটুকু না করলেই নয়, তাই করতে হবে।
গরিব অবস্থাকে ভয় করুন
অনেক ধনী মানুষই অতীতে গরিব ছিলেন। বিল গেটস বলেন, ‘গরিব অবস্থায় জন্মগ্রহণ করা আপনার ভুল নয়। কিন্তু গরিব অবস্থায় মৃত্যুবরণ করাটা আপনার ভুল।’ গরিব হওয়াকে ভয় পাওয়া দারিদ্র্যের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে বহু ব্যক্তিকে উৎসাহিত করেছে।
বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
অনেকেই লক্ষ্য নির্ধারণে বিচক্ষণতার পরিচয় দেয় না। এ কারণে তারা লক্ষ্যমাত্রাই অল্প করে ধরে রাখে। ফলে মূল উপার্জন এর চেয়েও কমে যায়। তাই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে বিচক্ষণতার পরিচয় দিন, এক কোটির জায়গায় টার্গেট করুন ১০ কোটি টাকার। এ ক্ষেত্রে পুরো টাকাটা না পেলেও এর কাছাকাছি অন্তত পৌঁছাতে পারবেন।
তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা
সকালে ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যসম্মত। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠলে স্বাস্থ্যবান, জ্ঞানী আর ধনী হওয়া যায়। বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের ভাষায়, আরলি টু বেড অ্যান্ড আরলি টু রাইজ, মেকস অ্যা ম্যান হেলদি, ওয়েলদি অ্যান্ড ওয়াইজ।
বিশ্বে যারা ধনী তারা এই পন্থা অবলম্বন করেন, যা আপনি করেন না। তারা সকাল সকাল ওঠেই কাজে বেরিয়ে পড়েন। অর্থ আয়ের নেশায় খুঁজে পান বেশি সময়। তাই ধনী হতে চাইলে আপনারও দরকার অর্থ আয়ে সকাল সকাল ঘুব থেকে ওঠে কাজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা।
অতিরিক্ত কাজ করছেন-এমন ধারণা ত্যাগ করাআপনি অতিরিক্ত কাজ করছেন এই ধারণা আপনার শত্রু হয়ে ওঠতে পারে। সব কাজ করছেন এবং করতে হবে- এমন ধারণা কাজে গড়িমসি ভাব আনতে পারে। যা আপনার ধনী হওয়ার পথে অন্যতম বাধা। তাই ধনী হতে চাইলে এ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। জীবনের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে সম্মুখ পানে।
শুরু করা
কোনো কিছু না করার চেয়ে কিছু শুরু করাটা ভালো। তাই দ্রুত ব্যবসায় নেমে পড়তে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সমস্যাও আছে। ছোট কিছু দিয়ে শুরু করলে তার প্রাথমিক ফলও ছোট হবে। তাই বলে ঘাবড়ে গেলে চলবে না। ধৈর্য্য ধরতে হবে। দেখবেন একদিন সাফল্য আসবেই।
মিতব্যয়ী হওয়া
অকারণেই অর্থ অপচয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে। হতে হবে মিতব্যয়ী। আপনি যদি আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করেন, সেটা হবে সম্পদ অর্জনের অন্তরায়। সুতরাং মাসিক খরচ কোথায় কত করলেন সেটা লক্ষ্য করতে হবে। খরচ কমানোর উপায় বের করে বাস্তবসম্মত বাজেট তৈরি করতে হবে।
তাই ক্রেডিট কার্ড বয়ে বেড়ানোর মানসিকতা পরিহার করতে হবে। যেখানে সেখানে অর্থ ব্যয় থেকে থাকতে হবে বিরত।
গরীবের মতো জীবনযাপন করা
আমাদের চারপাশে অনেকেই আছে যারা ধনী কিন্তু তাদের চলাফেরায় সেটা বোঝা যায় না। তারা শুধু টাকা সঞ্চয় করেন। মানুষের সামনে বড়লোকী ভাব দেখান না। এটার উপকারিতা হচ্ছে আপনাকে কম খরচ করাতে শেখাবে।
No comments:
Post a Comment